1. multicare.net@gmail.com : news : Dainik Unsattor
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন

খানাখন্দে ভরা রাস্তা : দেখার কেউ নেই

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২০
  • ৯১ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি : ঢাকার দোহার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে অবস্থিত কড়ম আলীর মোড় হতে চর লটাখোলা ব্রিজ পর্যন্ত রাস্তাটির বেহাল দশা। সামান্য বৃষ্টি হলেই চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পরে এ রাস্তাটি। ফলে দুর্ভোগের শিকার চর-লটাখোলা, মাহমুদপুর ও বিলাসপুর এলাকার জনগণ। প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে হাজার হাজার মানুষের চলাফেরা। দোহার উপজেলার বিলাসপুর ও মাহমুদপুর ইউনিয়নের জনগণ এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এ রাস্তাটি দিয়ে বাজারগামী ক্রেতা, বিক্রেতা ও জনসাধারণ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তাদের এ দুর্ভোগ দেখার কেউ নেই। খানাখন্দে ভরা এ সড়কটি বৃষ্টির মৌসুমে চলাচলের অনুপযোগী হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। এমনটি শুষ্ক মৌসুমেও রাস্তায় গর্তের কারণে যানবাহন চলাচল করে ঝুঁকি নিয়ে। মাঝে মাঝেই ঘটছে দুর্ঘটনা। জনসাধারণ বেশিরভাগ সময় এ রাস্তাটি হেটে পাড়ি দিচ্ছেন।
এই রাস্তার পাশে রয়েছে কড়ম আলীর মোড় জামে মসজিদ। কাদা পানি পেরিয়ে মসজিদে যেতে হয় মুসল্লিদের। দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন আশে পাশের বেশ কিছু দোকানদাররা।
জানা গেছে, দোহার পৌরসভা প্রায় অনেক রাস্তার সংস্কার করা হলেও এই রাস্তায় লাগেনি উন্নয়নের ছোঁয়া। সামান্য বৃষ্টি হলেই কাঁদা পানিতে পরিনত হয় খানাখন্দে ভরা এ সড়কটি। এই রাস্তার পাশে দুটি স্বমিল রয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো মুক্তিযোদ্ধা করম আলী’র এবং আরেকটি স্বমিল মো. সেলিমের। তবে বর্তমানে সেলিমের স্বমিলটি পরিচালনা করছেন মো. খলিল।
স্থানীয় এলাকাবাসীদের অভিযোগ, এই রাস্তা ভেঙে যাওয়ার মূল কারণ হলো স্বমিলের গাছ বোঝাই গাড়ি লোড-আনলোড করা। এলাকাবাসী সূত্রে আরও জানা যায়, এখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে বড় বড় গাছ নিয়ে ২২ চাকার লড়ি এবং ট্রাক স্বমিলের সামনে গাছ নামায়। এই লোড করা ২২ চাকার লড়ি ও ট্রাকের তুলানায় রাস্তার ধারন ক্ষমতা অনেক কম। মূলত এই কারণেই রাস্তাটি ভেঙে গেছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।
সড়কের পাশে কনফেকশনারীর ব্যবসায়ী মো. চঞ্চল তালুকদার বলেন, প্রায় দুই বছর যাবৎ এই রাস্তাটির বেহাল অবস্থা দেখছি। প্রায় সময় চোখের সামনে ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটতে দেখি। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার হলে সবার জন্যই ভালো হয়।
সড়কটির পাশ^বর্তী অবস্থতি মাদরাসাতুস সূফ্ফা আল-এলমিয়া মাদরাসার সহকারী শিক্ষক নেয়ামত উল্লাহ বলেন, ‘এই সড়কটি পৌরসভা ও চর লটাখোলা ৬নং ওয়ার্ডের মাঝখানে হওয়ায় রাস্তাটিতে কর্তৃপক্ষের কারো নজর নেই বলে আমি মনে করি। দীর্ঘদিন যাবৎ এ রাস্তাটিতে চলাচলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এমনকি অসুস্থ রোগীদের ইজিবাইক অথবা রিকশায় নিয়ে হাসপাতালে যাতায়াত করাও মুসকিল।
চর লটাখোলা গ্রামের বাসিন্দা রিকশা চালক মো. আবু জাফর বলেন, আমরা খুব কষ্ট করে এই রাস্তায় যাতায়াত করি। প্রায় সময় রিকশার হক্স ও বেয়ারিং ভেঙে যায়। যাত্রীদের নিয়ে এ ভাঙা রাস্তা দিয়ে যাওয়া খুব কষ্টকর।
এ বিষয়ে দোহার পৌরসভা ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বদরুল ইসলাম বদু এশিয়া বার্তাকে জানান, গত ২ সেপ্টেম্বর দোহার পৌরসভার বাজেট ঘোষণা হয়ে গেছে। কিন্তু আমি আগামী বাজেটে বরাদ্দ পেলে সড়কটি সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

সর্বশেষ খবর

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট